২০১৯ সালের শেষের দিক থেকেই করোনাভাইরাসের (Corona virus) জেরে পড়াশোনা একপ্রকার বন্ধই হয়ে গিয়েছিল। পড়াশোনার হাল স্বাভাবিক করতে লেগে যায় প্রায় দুই বছর। এর মধ্যে মাধ্যমিক(Secondary Exam), উচ্চ মাধ্যমিক(High secondary Exam)সহ অন্যান্য ক্লাসের পরীক্ষাগুলিও স্থগিত করে দেওয়া হয়। অফলাইনের(Offline exam) বদলে অনলাইনে পরীক্ষা(Online Exam) নেওয়া হয় এবং তার ফলে অনেকেই অনেক রকম সমস্যার মধ্যে পড়ে।
UGC New Rules: শুধুমাত্র স্নাতক যোগ্যতাতেই স্নাতকোত্তরের PHD-র সুযোগ, নতুন নিয়ম UGC-র!
করোনা ভাইসরাসের জেরে রাজ্যে পড়াশোনা এবং পড়াশোনার হাল ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষা দপ্তর থেকে চালু করা হয়েছে একটি স্টেট অ্যাচিভমেন্ট সার্ভে(State achievement survey)।
তৃতীয় শ্রেণি, পঞ্চম শ্রেণী, অষ্টম শ্রেণী এবং দশম শ্রেণীর পড়ুয়াদের নিয়ে নেওয়া হবে বিশেষ পরীক্ষা। তাদের পড়াশোনার গুনগত মান বর্তমানে কোন অবস্থায় আছে সেটা জানতেই এই পরীক্ষা নেওয়া হবে।এই পরীক্ষার ফলে ছাত্রছাত্রীরা সারা বছর কি পড়াশোনা করছে সেই সমস্ত বিষয়ে দুবার করে ঝালিয়ে নেওয়ার সুবিধা পাওয়া যাবে।
2022 সাল শেষের দিকে। ২০২৩ সালের শুরু হতে না হতেই মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরু হয়ে যাবে(West Bengal Madhyamik Exam 2023)।
মাধ্যমিক পরীক্ষা যাতে নির্বিঘ্নে করা যায় তাই জন্য প্রতিটি জেলায় আলাদা আলাদা মনিটরিং কমিটি(Wb monitoring committee) গঠন করতে চলেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ। প্রতিটি জেলার মনিটরিং কমিটি কিভাবে কাজ করবে তাই নিয়ে একটি নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। জেলা আহ্বায়ক, সাব ডিভিশনাল আহ্বায়ক এবং সদস্যদের সঙ্গে সবরকম সমন্বয় রেখে কাজ করার কথা বলা হয়েছে।
কি কি বলা হয়েছে নির্দেশিকায়?
মনিটরিং কমিটির উদ্দেশ্যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ে পরীক্ষার দিনগুলোতে প্রতিটি বিদ্যালয় কি কি ব্যবস্থা রাখতে হবে সেই সম্পর্কে।
নির্দেশিকায় বলা হয়েছে প্রতিটি পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন শৌচাগার, বিশুদ্ধ পানীয় জল, পর্যাপ্ত আসবাবপত্র ,বেঞ্চ, আলোর ব্যবস্থা রাখতে হবে।
কোন পরীক্ষার্থী যদি পরীক্ষার চলাকালীন অসুস্থ হয়ে পড়ে, তবে তার জন্য আলাদা ঘরের ব্যবস্থা করতে হবে এবং পরীক্ষার যাবতীয় বন্দোবস্ত সুষ্ঠুভাবে করতে হবে।
মধ্যশিক্ষা পর্ষদের সূত্রে জানা যাচ্ছে যে, প্রতিটি জেলায় স্কুল ছাত্র ছাত্রীদের বড় পরীক্ষায় সাফল্য পাওয়ার জন্য বিভিন্ন রকম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে মধ্যশিক্ষা পর্ষদ।
মাধ্যমিক পরীক্ষার আগে প্রতিটি স্কুলের নিয়ম মত টেস্ট হয়েছে এবং কিছু কিছু স্কুলে বাড়তি রি টেস্ট(Re test) হয়েছে। অর্থাৎ পুনরায় আরো একবার পরীক্ষা নিয়ে ছাত্রছাত্রীদের বিষয়গুলি চ
ঝালিয়ে নেবার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক উভয় ছাত্রছাত্রীদের জন্যই এই ব্যবস্থা করা হয়েছে।




0 মন্তব্যসমূহ
কোনোরকম জিজ্ঞাসা বা মতামত থাকলে কমেন্ট করুন....