গৃহশিক্ষকতা ও কোচিং এ পড়াতে পারবেন না সরকারি ও সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা, জারি নির্দেশিকা।
বহুদিন থেকেই প্রাইভেট টিউটরস অর্গানাইজেশন এর পক্ষ থেকে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের গৃহ শিক্ষকতা বন্ধ করার জন্য আবেদন করা হচ্ছিল। মৌখিক বিধিনিষেধ আরোপ করলেও সে নিয়মের তোয়াক্কা করেননি অধিকাংশ শিক্ষকেরাই।
পুরোদমে টিউশন আর কোচিং এ পড়ানো চলছিল রাজ্যের সমস্ত প্রান্তেই। অবশেষে বিকাশ ভবন শিক্ষা দপ্তর থেকে পাকাপাকিভাবে কঠোর নির্দেশ দেওয়া হলো, সরকারি ও সরকার পোষিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলির শিক্ষকরা আর গৃহ শিক্ষকতা বা কোচিং এ পড়াতে পারবেন না।
শুধুমাত্র শিক্ষক শিক্ষিকারাই নয়, নন টিচিং স্টাফদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম লাগু হয়েছে। এছাড়াও বিনা পারিশ্রমিকেও পড়াতে পারবেন না কেউ। গত ২৭শে জুন, সোমবার এই নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে বিকাশভবন শিক্ষা দপ্তর।
সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করেই মোটা অংকের বেতনের বিনিময়ে স্কুল শিক্ষকদের কোচিং এ পড়ানো নিয়ে বহুদিন থেকেই অভিযোগ জমা পড়ছিল রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে।
কিছুদিন আগেই ৫ টি জেলার স্কুল পরিদর্শককে অ্যাকশন টোকেন জমা দেবার কথা বলা হয়েছিল। সেই অনুযায়ী ৬১ জন শিক্ষকের নাম উল্লেখ ছিল। তাদের প্রাইভেট পড়ানো বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। তাদের একাংশের দাবি, "জেলায় গৃহ শিক্ষকের অভাব রয়েছে।তাই অনেকের টিউশনের জন্য সাধাসাধি করেন। সেক্ষেত্রে নামমাত্র মাইনে নিয়ে অনেকেই টিউশন পড়ান।"
অতীতেও এমন নির্দেশিকা দেওয়া সত্ত্বেও পালন কোথাও হয়নি। পুনরায় একাধিক অভিযোগ জমা পড়ার কারণে নড়েচড়ে বসে শিক্ষা দপ্তর। অবশেষে কড়া নির্দেশিকা জারি করা হলো। এই নিয়ম না মানলে কড়া পদক্ষেপ ও নেওয়া হতে পারে।
অনেকেই সরকারের এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এখন দেখা যাক সত্যিই স্কুল শিক্ষকদের গৃহ শিক্ষকতা বন্ধ হয় কি না !
লেখায়ঃ তন্ময় দেবনাথ




0 মন্তব্যসমূহ
কোনোরকম জিজ্ঞাসা বা মতামত থাকলে কমেন্ট করুন....