Join Whatsapp Group(38) Join Now

মেধা তালিকায় বেশি নম্বর পাওয়া সত্ত্বেও মেলেনি চাকরি,ফের হাইকোর্টে মামলা আলিপুরদুয়ারের এক চাকরিপ্রার্থীর।

কয়েক মাস আগে প্রিয়াঙ্কা সাউ চাকরির দাবিতে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন। হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি দেওয়া হয়েছিল তাকে। ইতিমধ্যে হাইস্কুলে চাকরি করছেন তিনি। এর আগে ববিতা সরকারকেও হাইকোর্টের (Kolkata High court) নির্দেশ মত চাকরি দেওয়া হয়েছিল। ফের নতুন করে আরো একজন চাকরি প্রার্থী হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছেন। তার প্রাপ্ত নম্বর প্রিয়াঙ্কা সাউয়ের থেকেও বেশি।

মামলাকারী আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা প্রীতি নার্জিনারী। তার অভিযোগ মেধা তালিকায় তার নম্বর প্রিয়াঙ্কার থেকেও বেশি , তবু তিনি চাকরি পাননি। জানুয়ারি মাসে এই মামলার শুনানি হতে চলেছে। ২০১৬ সালে SLST এর মাধ্যমে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীতে শিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষায় বসেছিলেন প্রিয়াঙ্কা সাউ। মেধা তালিকায় নম্বর বেশি থাকা সত্ত্বেও তিনি চাকরি পাননি। তিনি কেন চাকরি পাননি তা নিয়ে হাইকোর্টে মামলা করেছিলেন তিনি। মেধা তালিকা অনুযায়ী যখন মহিলা বিভাগে ইন্টারভিউ চলছিল তখন অন্যান্য প্রার্থীদের সাথে প্রিয়াঙ্কাকেও ডাকা হয়েছিল। তবে নিয়োগকর্তাদের বক্তব্য অনুযায়ী অন্য প্রার্থীদের নম্বর প্রিয়াঙ্কার থেকে বেশি থাকায় প্রিয়াঙ্কা সাউয়ের চাকরি হয়নি সেই মুহূর্তে। তবে নিয়োগকর্তাদের এই যুক্তি ধোপে টেকেনি হাইকোর্টের সামনে। হাইকোর্টের নির্দেশে চাকরি দেওয়া হয় প্রিয়াঙ্কা সাউকে। বর্তমানে একটি উচ্চ বিদ্যালয়ে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীতে শিক্ষকতার চাকরি পেয়েছেন তিনি। এই মামলার রায় হিসেবে শুধু মামলাকারীকে চাকরি দেওয়াই নয়, ২০১৬ সালে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীতে শিক্ষকতা করার যোগ্য চাকরিপ্রার্থীদের নম্বর প্রকাশ করেছে ssc। সেই তালিকা অনুযায়ী প্রিয়াঙ্কার নম্বর ছিল ৬৮.৫০ শতাংশ।
আরও পড়ুনঃ

তবে আলিপুরদুয়ারের বাসিন্দা প্রীতি নার্জিনারী দাবি করেছেন তার নম্বর প্রিয়াঙ্কা থেকেও বেশি।৬৮.৮৩ শতাংশ নম্বর পেয়ে তিনি উত্তীর্ণ হয়েছিলেন। যা প্রিয়াঙ্কার নম্বর থেকে ০.৩৩ শতাংশ বেশি। তাহলে তিনি কেন চাকরি পাননি এতদিন? বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় এর সিঙ্গেল বেঞ্চে মামলা নথিভুক্ত করেন তিনি। প্রীতি নার্জিনারী বর্তমানে নবম-দশম শ্রেণিতে শিক্ষকতা করছেন। এর আগে শিলিগুড়ির বাসিন্দা ববিতা সরকারকে চাকরি দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি শ্রী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। ২০১৬ সালে একই ব্যাচে একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণীতে শিক্ষকতার চাকরিপ্রার্থী ছিলেন তিনি। সে সময় দুর্নীতির মাধ্যমে চাকরি পেয়েছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশ অধিকারের মেয়ে অঙ্কিতা অধিকারী। তাকে অপসারণ করে কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ ইন্দিরা উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষকতার চাকরি দেওয়া হয় ববিতা সরকারকে।। প্রীতি নার্জিনারীর নথিভুক্ত করা মামলার শুনানি হবে জাস্টিস শ্রী অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গেল বেঞ্চে। আগামী বছরের জানুয়ারি মাসে এই শুনানি হবার কথা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ