প্রিয় ছাত্রছাত্রিরা,আজ Geography Class 7 Model Activity Task February 2022 Answer(Part-2) তোমাদের সাথে শেয়ার করছি। এই পেজে আমরা ফেব্রুয়ারি মাসের সপ্তম শ্রেণীর পরিবেশ ও ভূগোল সপ্তম শ্রেণী মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক পার্ট-2 -র সমস্ত উত্তর শেয়ার করছি।
Geography Class 7 Model Activity Task Answer February 2022
মডেল অ্যাক্টিভিটি টাস্ক
সপ্তম শ্রেণি
পরিবেশ ও ভূগোল
পূর্ণমান ২০
১. বিকল্পগুলি থেকে ঠিক উত্তরটি নির্বাচন করে লেখো : (১×৩ = ৩)
১.১ নিরক্ষরেখার সাপেক্ষে ভারত অবস্থিত -
(ক) উত্তর গোলার্ধে
(খ) দক্ষিণ গোলার্ধে
(গ) পূর্ব গোলার্ধে
(ঘ) পশ্চিম গোলার্ধে।
১.২ ভূ-গোলকে একটি অক্ষরেখা একটি দ্রাঘিমারেখাকে যত ডিগ্রি কোণে ছেদ করে তা হলো –
(ক) ০°
(খ) ৯০°
(গ) ৬০°
(ঘ) ৩০°
Ans: (খ) ৯০°
১.৩ ভূ-গোলকে অধিঙ্কত প্রত্যেকটি দ্রাঘিমারেখা –
(ক) উপবৃত্ত
(খ) পুর্ণবৃত্ত
(গ) অর্ধবৃত্ত
(ঘ) সরলরৈখিক
২.১ শূন্যস্থান পূরণ করো : (১ × ২ = ২)
২.১.১ ১° দ্রাঘিমা ঘুরতে পৃথিবীর সময় লাগে ..................ঘণ্টা।
২.১.২ দুটি দ্রাঘিমার মধ্যে দূরত্ব.................. উপর সবচেয়ে বেশি।
Ans: নিরক্ষরেখা
২.২ ‘ক’ স্তম্ভের সঙ্গে ‘খ’ স্তম্ভ মেলাও : (১×৩ = ৩)
|
‘ক’ স্তম্ভ |
‘খ’ স্তম্ভ |
|
২.২.১ ) ২৩° ৩০′ উঃ ২.২.২) ০ ° ২.২.৩ ) ৮২°৩০′ পূঃ |
১. )মূলমধ্যরেখা ২.) ভারতের প্রমাণ সময় ৩.) কর্কটক্রান্তি রেখা |
Ans:
২.২.১ ) ২৩° ৩০′ উঃ = ৩.) কর্কটক্রান্তি রেখা
২.২.২) ০ ° = ১.)মূলমধ্যরেখা
২.২.৩ ) ৮২°৩০′ পূঃ = ২.) ভারতের প্রমাণ সময়
৩. নীচের প্রশ্নগুলির সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও : (২×২= ৪)
৩.১ অক্ষরেখা কাকে বলে?
Ans: নিরক্ষরেখার সমান্তরালে পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত কাল্পনিক রেখাগুলো হলো অক্ষরেখা।
৩.২ GPS-এর দুটি উপযোগিতা উল্লেখ করো।
Ans:
১)উচ্চতা নির্ণয়- GPS এর সাহায্যে যেকোন স্থানের উচ্চতা নির্ণয় করা যায়।
২) মানচিত্র তৈরি বিভিন্ন দেশের সীমানা চিহ্নিতকরণে ও বিভিন্ন প্রকার মানচিত্র তৈরিতে GPS ব্যবহার করা হয়।
৩)ট্রেনের গতিবেগ নির্ণয়-যেকোনো স্থান থেকে ট্রেনের গতিবিধি সম্পর্কে জানার জন্য GPS ব্যবহার করা হয়।
৪)দিক নির্ণয়- GPS এর সাহায্যে জাহাজ, স্টিমার ও নৌকার নাবিকরা সহজে দিক নির্ণয় করতে পাবে।
৫) অবস্থান নির্ণয়- GPS এর সাহায্যে পৃথিবীর যে কোনো স্থানের অবস্থান খুব নিখুঁতভাবে জানা যায়৷
৪. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও : (৩×১= ৩)
অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার মধ্যে তিনটি পার্থক্য লেখো।
| অক্ষরেখা | দ্রাঘিমারেখা |
|---|---|
| অক্ষরেখাগুলো উত্তর অক্ষরেখা এবং দক্ষিণ অক্ষরেখা নামে পরিচিত। |
দ্রাঘিমারেখাগুলো পূর্ব দ্রাঘিমারেখা ও পশ্চিম দ্রাঘিমারেখা নামে পরিচিত। |
| নিরক্ষরেখা থেকে অক্ষরেখা গণনা করা হয়। |
মূল মধ্যরেখা থেকে দ্রাঘিমারেখা গণনা করা হয়। |
| অক্ষরেখাগুলো পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে আছে। |
দ্রাঘিমারেখাগুলো পৃথিবীকে উত্তর দক্ষিণে বেষ্টন করে আছে। |
| অক্ষরেখাগুলো প্রত্যেকেই পূর্ণবৃত্ত। | অক্ষরেখাগুলো প্রত্যেকেই অর্ধবৃত্ত। |
৫. নীচের প্রশ্নটির উত্তর দাও : ( ৫×১= ৫)
চিত্রসহ কোনো স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয়ের পদ্ধতিটি লেখো।
গ্রিনিচের সময়ের সাহায্যে :- গ্রিনিচের দ্রাঘিমা 0°। গ্রিনিচের সময় ক্রোনোমিটার ঘড়ির সাহায্যে জানা যায়। সেক্সটেন্ট যন্ত্রের সাহায্যে মধ্যাহ্ন সূর্যের সর্বোচ্চ অবস্থান দেখে কোনো স্থানের সময় বেলা 12 টা স্থির করা হয়। গ্রিনিচের সময় ও কোনো স্থানের স্থানীয় সময় থেকে সহজেই ওই স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা যায়। (গ্রিনিচের সময় নির্ধারণকারী ঘড়ি হলো a ক্রোনোমিটার। অষ্টাদশ শতাব্দীতে জন হ্যারিসন এটি উদ্ভাবন করেন। প্রাচীনকালে নাবিকরা এটি জাহাজে রেখে দিত দ্রাঘিমা নির্ণয়ের জন্য।)
২) সময়ের সাহায্যে :- পৃথিবীর কৌণিক মান 360° ঘুরতে 24 ঘণ্টা একবার সূর্য 90° কোণে বা মাথার ওপর আসে, তখন সেই স্থানে দুপুর 12 টা বাজে। প্রতি 1° দ্রাঘিমায় 4 মিনিটের পার্থক্য হয়। গ্রিনিচ থেকে 1° পূর্বে গেলে 4 মিনিট বেশি আবার 1° পশ্চিমে গেলে 4 মিনিট সময় কমে যায়।
৩) আধনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার :- বর্তমানের সকল জাহাজে স্যাটেলাইটের সঙ্গে সংযোগকারী বিভিন্ন ইলেকট্রনিক্স (যেমন GPS) সাহায্যে যেকোন স্থানের দ্রাঘিমা নির্ণয় করা হয়।



0 মন্তব্যসমূহ
কোনোরকম জিজ্ঞাসা বা মতামত থাকলে কমেন্ট করুন....